গেমিং শুধু মজার জন্য – এটাই yesb3-এর দর্শন। আমরা চাই আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকুন, আনন্দ উপভোগ করুন এবং কোনো সমস্যা হলে সঠিক সাহায্য পান।
দায়িত্বশীল গেমিং মানে হলো – খেলার আনন্দ উপভোগ করা, কিন্তু সেটা যেন জীবনের অন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে প্রভাবিত না করে। yesb3 বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের একটি মাধ্যম, সম্পদ বাড়ানোর নিশ্চিত পথ নয়।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং জনপ্রিয় হচ্ছে প্রতিদিন। এই পরিবর্তনের সাথে সাথে কিছু মানুষের জন্য সমস্যাও তৈরি হচ্ছে। yesb3 চায় না তার কোনো সদস্য গেমিং-এর কারণে আর্থিক বা মানসিক সমস্যায় পড়ুন। সেজন্যই আমরা একগুচ্ছ টুল ও রিসোর্স প্রস্তুত করেছি।
দায়িত্বশীল খেলার মূল নীতি তিনটি – বাজেট নির্ধারণ করা, সময় মেনে চলা এবং হারের পর মাথা ঠান্ডা রাখা। এই তিনটি নীতি মনে রাখলে গেমিং সবসময়ই মজার থাকবে।
আমরা শুধু একটি গেমিং কোম্পানি নই – আমরা আমাদের সদস্যদের সুস্থতার দায়িত্ব নিই। প্রতিটি সদস্যের জন্য বিনামূল্যে দায়িত্বশীল গেমিং টুল, ২৪/৭ সাপোর্ট এবং প্রয়োজনে পেশাদার সাহায্যের নির্দেশনা সবসময় পাওয়া যাবে।
এই টুলগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যেকোনো সময় আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিং থেকে চালু করা যাবে।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন। একবার সীমা কমালে তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়। বাড়াতে হলে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে – এটা ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়েছে যাতে আবেগের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত না নেওয়া হয়।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে মোট কতটুকু বেট করবেন তার সীমা রাখতে পারবেন। এটা বিশেষভাবে কার্যকর যারা স্পোর্টস বেটিং করেন – একটা ম্যাচে উত্তেজনায় হিসাব না করে অনেক বেট করে ফেলার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কতক্ষণ খেলবেন তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। সময় শেষ হলে yesb3 স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে সেশন শেষ করার অনুরোধ দেবে। গেমিং যাতে ঘুম, কাজ বা পরিবারের সময় না কাড়ে সেজন্য এই টুল।
১৫, ৩০ বা ৬০ মিনিট পরপর পপ-আপ নোটিফিকেশন চালু করুন যা দেখাবে আপনি কতক্ষণ খেলেছেন এবং কত টাকা জিতেছেন বা হারিয়েছেন। এই ছোট রিমাইন্ডার অনেক সময় বড় পার্থক্য তৈরি করে।
১, ৩, ৭ বা ৩০ দিনের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত রাখুন। এই সময়ে লগইন করা যাবে না। বড় হার বা মানসিক চাপের মুহূর্তে একটু বিরতি নেওয়া অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত।
৬ মাস, ১ বছর বা স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সুবিধা। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন মনে হলেও অনেক সময় এটাই সবচেয়ে সাহসী পদক্ষেপ। সেলফ-এক্সক্লুশন চালু থাকলে কোনো প্রমোশনাল যোগাযোগও করা হবে না।
গেমিং আসক্তি হঠাৎ করে হয় না – ধীরে ধীরে তৈরি হয়। নিচের লক্ষণগুলোর মধ্যে দুই-তিনটিও যদি নিজের মধ্যে দেখতে পান, তাহলে একটু থামুন এবং সাহায্য নিন।
মাসের বাজেটের বাইরে গেমিংয়ে টাকা ঢালছেন, অন্যের কাছ থেকে ধার করছেন বা বিল মেটাতে সমস্যা হচ্ছে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা কখন কেটে গেল বুঝতে পারছেন না, ঘুম বা কাজ বাদ দিয়ে খেলছেন।
হারলে আরো বেশি বেট করে হার পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন – এটা সবচেয়ে বিপজ্জনক প্যাটার্ন।
পরিবার বা বন্ধুরা গেমিং নিয়ে চিন্তিত, বা আপনি গেমিং লুকিয়ে রাখছেন।
উদ্বেগ, একাকীত্ব বা মানসিক চাপ কমাতে গেমিং ব্যবহার করছেন।
নিচের প্রশ্নগুলো সৎভাবে নিজেকে করুন। যদি ৩ বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
গত মাসে কি গেমিংয়ের কারণে অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ দিয়েছেন?
পরিকল্পনার চেয়ে বেশি সময় বা অর্থ কি গেমিংয়ে ব্যয় করেছেন?
পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং কি লুকিয়ে রাখছেন?
গেমিং বন্ধ রাখতে চাইলেও কি পারছেন না?
হারানো অর্থ ফিরে পেতে আরো বেশি বেট করছেন?
গেমিং নিয়ে কি মানসিক উদ্বেগ বা অপরাধবোধ হচ্ছে?
ছোট ছোট পরিবর্তনেই গেমিং অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হতে পারে।
মাসে গেমিংয়ে কতটুকু ব্যয় করবেন তা আগেই ঠিক করুন। এটা বিনোদন বাজেটের মতোই ভাবুন – যেমন সিনেমা বা রেস্তোরাঁর জন্য আলাদা বাজেট থাকে। সেই সীমা পার হলে সেই মাসের জন্য খেলা বন্ধ।
গেমিংয়ে যা জেতেন সেটাকে আয়ের উৎস নয়, বরং বোনাস হিসেবে ভাবুন। জিতলে আনন্দ করুন, কিন্তু হারলে মাথা ঠান্ডা রাখুন। "আজ হলো না" বলে থামতে পারাটাই দক্ষতা।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় গেমিংয়ের জন্য বরাদ্দ রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দীর্ঘ সেশন এড়িয়ে চলুন। ফোনে অ্যালার্ম সেট করুন – সময় হলে থামুন।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০ মিনিট বিরতি নিন। উঠুন, একটু হাঁটুন, পানি খান। এই ছোট বিরতিগুলো আপনাকে সতেজ রাখে এবং আবেগে সিদ্ধান্ত নেওয়া কমায়।
রাগান্বিত, হতাশ বা মানসিক চাপে থাকলে গেমিং এড়িয়ে চলুন। এই অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায় এবং বেশি হারার সম্ভাবনা থাকে।
পরিবার বা বিশ্বস্ত বন্ধুকে জানান যে আপনি অনলাইন গেমিং করেন। তারা বাইরে থেকে দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে সতর্ক করতে পারবেন।
সমস্যা বুঝতে পারলে সাথে সাথেই পদক্ষেপ নিন। দেরি করলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।
প্রথমে yesb3-এর দায়িত্বশীল গেমিং টুলস ব্যবহার করুন। ডিপোজিট বা সময় সীমা চালু করুন। এটা সবচেয়ে সহজ প্রথম পদক্ষেপ।
যদি মনে হয় সীমা মানতে পারছেন না, তাহলে কুলিং-অফ বা সেলফ-এক্সক্লুশন চালু করুন। সাপোর্ট টিম এতে সাহায্য করবে।
পরিবার বা বন্ধুকে বিষয়টা জানান। লুকানো সমস্যাকে আরো বড় করে। সৎ কথোপকথন প্রথম বড় পদক্ষেপ।
মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদার বা কাউন্সেলরের সাথে কথা বলুন। গেমিং আসক্তি একটি স্বীকৃত মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা – এর চিকিৎসা আছে।
দায়িত্বশীল গেমিং yesb3-এর ব্যবসায়িক মডেলের কেন্দ্রে। আমরা বিশ্বাস করি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ খেলোয়াড়রাই আমাদের সেরা সম্পদ।
yesb3-এ যোগ দিন এবং নিরাপদ গেমিং পরিবেশ উপভোগ করুন। আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং টুলস ব্যবহার করুন – সীমা রাখুন, আনন্দ বাড়ান।